৪। ডিগপাতা কিছুটা হেলে যায়, ফলে শীষ উপরে দেখা যায় এবং দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
৫। ছড়ার উপরিভাগের ধানে শুঙ আছে।
৬। চাল মাঝারি মোটা, সাদা এবং ভাত ঝরঝরে।
৭। এ জাতে প্রোটিনের পরিমাণ ৮.১% ।
চাষাবাদ পদ্ধতিঃ
১ । বীজ তলায় বীজ বপন
: ১ - ৩০ অগ্রহায়ণ (১৫ নভেম্বর - ২০ ডিসেম্বর)।
২ । রোপণের সময়
: ২০ পৌষ - ২০ মাঘ (জানুয়ারি)
৩ । ইউরিয়া সার (কেজি/বিঘা)
: ৩০-৪০
৪ । টিএসপি সার (কেজি/বিঘা)
: ৭-১৪
৫ । এমওপি সার (কেজি/বিঘা)
: ৮-১৬
৬ । জিপসাম সার (কেজি/বিঘা)
: ৪-১১
৭ । দস্তা সার (কেজি/বিঘা)
: ০.৭-১.০
৮ । সার প্রয়োগ পদ্ধতি
: ইউরিয়া সার তিন কিস্তিতে প্রয়োগ করতে হবে। প্রথম উপরি প্রয়োগ- রোপণের ১৫-২০ দিন পর। দ্বিতীয় উপরি প্রয়োগ- রোপণের ৩০-৩৫ দিন পর। ইউরিয়া প্রয়োগের পর সার মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে। তৃতীয় উপরি প্রয়োগ- রোপণের ৪৫-৫০ দিন পর। ইউরিয়া প্রয়োগের সঠিক সময় নির্ণয়ের জন্য লিফ কালার চার্ট ব্যবহার করতে হবে।
৯ । আগাছা দমন
: রোপণের ৪৫ দিন পর্যন্ত জমি আগাছামুক্ত রাখতে হবে।
১০ । সেচ ব্যবস্থাপনা
: ধানের থোর অবস্থা থেকে দানা দুধ অবস্থায় জমিতে পর্যাপ্ত পানির ব্যবস্থা রাখতে হবে।